বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
-
ক
আইন সচিব
-
খ
অ্যাটর্নি জেনারেল
-
গ
আইনমন্ত্রী
-
ঘ
প্রধান বিচারপতি
অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী। অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ্য আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মোঃ আসাদুজ্জামান।
সঠিক উত্তর: অ্যাটর্নি জেনারেল
১. অ্যাটর্নি জেনারেল (Attorney General) - প্রধান আইন কর্মকর্তা।অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা (Chief Law Officer of the State) এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন উপদেষ্টা।তিনি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে (আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ) সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন।
সরকারকে আইনগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।
সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।
যেহেতু তিনি সরাসরি আদালতে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং আইনগত পরামর্শ দেন, তাই পদবি অনুসারে তিনিই 'প্রধান আইন কর্মকর্তা'।
আইনমন্ত্রী (Minister of Law): তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক প্রধান। তিনি একজন সংসদ সদস্য এবং সরকারের মন্ত্রিপরিষদের অংশ। এটি একটি রাজনৈতিক/প্রশাসনিক পদ, আইনগত প্রতিনিধিত্বকারী 'কর্মকর্তা'র পদ নয়।
আইন সচিব (Law Secretary): তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি একজন আমলা (সিভিল সার্ভেন্ট)। এটি সম্পূর্ণভাবে একটি প্রশাসনিক পদ। তিনি নীতি প্রণয়ন ও মন্ত্রণালয়ের দৈনন্দিন কাজ তদারকি করেন, কিন্তু আদালতে রাষ্ট্রের পক্ষে সরাসরি সওয়াল-জবাব করেন না।
প্রধান বিচারপতি (Chief Justice): তিনি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রধান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান। এটি রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদ। প্রধান বিচারপতি সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন না, বরং আদালতের নিরপেক্ষ বিচারকাজ পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা- ১টি।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ- এক কক্ষবিশিষ্ট।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে বিরোধীদলীয় সদস্য ছিল- ১ জন (ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত)।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে মহিলা সদস্য – ১ জন (রাজিয়া আক্তার বানু)
- ভাষা- ২টি (বাংলা ও ইংরেজি)।
- সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ- ২টি। যথা- হাইকোর্ট ও আপিল কোর্ট |
- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়-- ৪ নভেম্বর।
- সংবিধান দিবস ৪ নভেম্বর।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি। যথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা
- ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ রয়েছে- ৫ নং তফসিলে ।
- প্রধান প্রধান নির্বাচনের মেয়াদকাল ৫ বছর। যথা- জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন, সাংবিধানিক কমিশন
- প্রধানদের মেয়াদকাল ৫ বছর।
- ৬ নং তফসিলে বঙ্গবন্ধুর ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা রয়েছে।
- সংবিধানে তফসিল রয়েছে ৭টি।
- সংবিধানের প্রথম ভাগে অনুচ্ছেদ সংখ্যা- ৭টি।
- রাষ্ট্রপতি অর্থবিলে অনুমোদন দেন- ৭ দিনের মধ্যে।
- ৭ নং তফসিলে- ১০ই এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে।
- সংবিধানের ভাগ রয়েছে- ১১টি।
- অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ জারি - ১১ই জানুয়ারি, ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে।
- সংবিধান কমিটি গঠিত হয় - ১১ই এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের প্রথম খসড়া উত্থাপন হয় ১২ই অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে পরিচ্ছদ রয়েছে- ১৩টি।
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- রাষ্ট্রপতি অর্থবিল ব্যতীত অন্যান্য বিলে অনুমোদন দেন- ১৫ দিনের মধ্যে।
- সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান এ যাবত সংশোধিত হয়েছে- ১৭ বার।
- বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে সংবিধান গৃহীত হয় ১৮ই কার্তিক।
- সংবিধান অনুসারে ভোটার হবার যোগ্যতা- ১৮ বছর।
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ সংখ্যা- ১৮টি।
- আইনজীবী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স- ২১ বছর।
- নির্বাচনে প্রার্থী হবার সর্বনিম্ন বয়স- ২৫ বছর।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ আহ্বান করতে হবে।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে আওয়ামী লীগের সদস্য ছিল- ৩৩ জন
- প্রণয়ন কমিটিতে সদস্য সংখ্যা ছিল- ৩৪ জন ।
- রাষ্ট্রপতি হবার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।
- সংবিধান অনুসারে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা- ৫০টি।
- সংসদে এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠক হতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে ।
- সংবিধানে উল্লিখিত সংসদের কোরাম সদস্য- ৬০ জন।
- পিএসসি চেয়ারম্যানের অবসরের বয়স ৬৫ বছর।
- বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বিচারপতিদের অবসরের বয়স- ৬৭ বছর।
- গণপরিষদে পেশকৃত খসড়া সংবিধানের পৃষ্ঠার সংখ্যা- ৭৩ টি ।
- সংবিধান রচনা কমিটির মোট বৈঠকের সংখ্যা- ৭৪ টি।
- স্পিকারের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিনের বেশি সংসদে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মোট পাতা ছিল- ৯৩ টি। (স্বাক্ষরসহ ১০৮ পাতা।)
- সংবিধান অনুসারে জরুরী অবস্থার মেয়াদ ১২০ দিন।
- সংবিধানে মোট অনুচ্ছেদ- ১৫৩ টি।
- খসড়া সংবিধানে ব্যয় হয় মোট ৩০০ ঘন্টা।
- সংসদের মোট নির্বাচত আসন সংখ্যা- ৩০০ টি।
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষরকারীর সংখ্যা- ৩০৯ জন।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা- ৪০৩ জন।
প্রাসঙ্গিক তথ্য
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে অনুসরণ করা হয় ভারত ও ব্রিটেনের সংবিধান।
- পৃীবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান- ভারতের আর সবচেয়ে ছোট সংবিধান- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।
- পৃথিবীর যে সকল দেশের সংবিধান অলিখিত- স্পেন, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, সৌদি আরব ও ইসরায়েল।
Related Question
View All-
ক
১১ টি
-
খ
৬ টি
-
গ
৫টি
-
ঘ
৪ টি
-
ক
১৯৭৫ সালে
-
খ
১৯৭২ সালে
-
গ
১৯৭১ সালে
-
ঘ
১৯৭৩ সালে
-
ক
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
-
খ
২৬ মার্চ, ১৯৭১
-
গ
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
-
ঘ
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
-
ক
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
-
খ
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
-
গ
২৬ মার্চ, ১৯৭২
-
ঘ
২৬ মার্চ, ১৯৭৩
-
ক
৪ নভেম্বর ১৯৭২
-
খ
২৬ মার্চ ১৯৭১
-
গ
১২ জানুয়ারি ১৯৭২
-
ঘ
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
-
ক
১৮ অনুচ্ছেদ
-
খ
১৯ অনুচ্ছেদ
-
গ
১৫ অনুচ্ছেদ
-
ঘ
১৭ অনুচ্ছেদ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন